• Breaking News

    all-news6361.com

    all-news6361.com

    বিশ্বায়নের কাল গণতন্ত্রের সূতিকাগারে নির্বাচনের প্রহসন!



    ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে সমবেত ছাত্রছাত্রীদের প্রতিবাদ দমনে কিছু শিক্ষক শারীরিক শক্তি প্রয়োগের পথ বেছে নেনউপাচার্যের পদকে কেন্দ্র করে গত শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে, তা দেখে অনেকেরই গা গোলানো অনুভূতি হয়েছে সন্দেহ নেই। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলে যাঁরা এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অতীত অথবা বিদ্যমান সম্পর্কের কারণে আত্মতৃপ্তিতে ভোগেন (আমিও ওই দলভুক্ত), তাঁদের কাছে এর চেয়ে বড় মনোবেদনার কারণ আর কী হতে পারে! বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে মুক্তবুদ্ধি ও গণতন্ত্র চর্চার তীর্থক্ষেত্র। আর দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনন্য এবং সবার থেকে এগিয়ে। এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাই স্বাধীনতা আন্দোলনের বীজ বপন করেছিলেন। পঞ্চাশের দশকের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে আশির দশকের সামরিক শাসনবিরোধী সংগ্রাম—এর কোনটিতে এই বিশ্ববিদ্যালয় নেই? কিন্তু সেই বিশ্ববিদ্যালয়েই ছাত্র সংসদ বা ডাকসু নির্বাচনের মতো গণতান্ত্রিক দাবিতে সমবেত ছাত্রছাত্রীদের প্রতিবাদ দমনে কতিপয় শিক্ষকের ধস্তাধস্তিতে লিপ্ত হওয়ার দৃশ্যকে আমরা কীভাবে ব্যাখ্যা করব?
    উপাচার্যের পদটির গুরুত্ব এবং মর্যাদার বিষয়টি সর্বজনস্বীকৃত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ওই প্রতিষ্ঠানের ৩৭ হাজার শিক্ষার্থীর অভিভাবক। তিনি সেখানকার প্রায় হাজার দুয়েক শিক্ষক এবং আরও কয়েক হাজার কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পথপ্রদর্শক ও নেতা। বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের জ্ঞানচর্চা, মুক্ত বিতর্ক ও গণতান্ত্রিক অনুশীলনে তিনি হবেন সবার অনুসরণীয়, সেটাই সাধারণভাবে প্রত্যাশিত। কিন্তু বর্তমান উপাচার্য, যিনি দীর্ঘ আট বছর ওই দায়িত্ব পালন করে এসেছেন, তাঁর বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ঠ কিছু সহকর্মীর আচরণ কিন্তু কোনোভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের চেতনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
    উপাচার্য পদে নির্বাচন নিয়ে কিছুদিন ধরেই যেসব নাটকীয়তার খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তির সঙ্গে কোনোভাবেই সংগতিপূর্ণ নয়। আগে যেখানে দলীয় রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে শিক্ষকদের (সমিতি, ডিন ও সিনেট সদস্যপদে) নির্বাচনগুলো ছিল কিছুটা আদর্শিক লড়াই, সেটি এখন পরিণত হয়েছে উপদলীয় বা কোটারির লড়াইয়ে। গত মে মাসে সিনেট নির্বাচনের সময়ে দেখা গেল যে সরকারসমর্থক নীল দলেরই দুটি অংশ দুটি আলাদা প্যানেল জমা দিল। কিন্তু শিক্ষক সমিতির সেই নির্বাচনের জন্য গঠিত কমিশন একটি কোটারির পক্ষ নিয়ে বিচিত্র এক অজুহাতে অপর অংশের সবার মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিল। সংক্ষুব্ধ অংশ আদালতের আশ্রয় নিতে চাইলে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকেরা এগিয়ে এলেন। সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপে আদালত থেকে প্রতিপক্ষকে ফেরানো হলো। কিন্তু আওয়ামী লীগ-সমর্থকদের দুই উপদলের মধ্যে কী সমঝোতা হলো, তা আমাদের জানার কথা নয়। তবে জোরালো আভাস মেলে যে বর্তমান উপাচার্যই আরও এক মেয়াদের জন্য নিয়োগ পাবেন। আর সে কারণেই লোক দেখানো আনুষ্ঠানিকতার জন্য ২৯ জুলাই, শনিবার ডাকা হয় সিনেটের অধিবেশন।
    পুরো প্রক্রিয়াটি নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করলে এ কথা সম্ভবত বলাই যায়, উপাচার্য নির্বাচনের জন্য এক চমকপ্রদ ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং সংঘটিত হয়েছে। প্রথমবার, অর্থাৎ সিনেটে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে এটি ভালোভাবেই প্রত্যক্ষ করা গেছে। সেখানে বিরোধী দল বিএনপিপন্থী সাদা দল প্রতিযোগিতা করলেও স্বাভাবিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে অস্বাভাবিক উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। আর সিনেটের অধিবেশনে উপাচার্য প্যানেলটি হয়েছে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। সব দিক দিয়েই আমাদের জাতীয় রাজনীতির চর্চাটির হুবহু অনুসরণ এখানে দৃশ্যমান। তার সঙ্গে রাজনীতির অপর অনুষঙ্গটিও বাদ থাকেনি। শক্তিপ্রয়োগের ঘটনাও ঘটেছে। ছাত্রছাত্রীরা যখন গণতন্ত্রের ধারায় ছাত্র সংসদ বা ডাকসু নির্বাচনের পর সিনেট অধিবেশনের দাবি জানাতে সেখানে জড়ো হয়ে সোচ্চার হয়েছেন, তখন কতিপয় শিক্ষক তাঁদের নিবৃত্ত করতে গিয়ে শারীরিক শক্তিপ্রয়োগের পথ বেছে নিয়েছেন। নিজেদের কোটারি স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখতে এর কোনো বিকল্প বোধ হয় তাঁরা আর খুঁজে পাননি। পুলিশ ডাকলে হয়তো আরেকটু বেশি সমালোচনা হবে। সুতরাং নিজেরাই সেই দায়িত্বটি নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছেন। এই হলো গণতন্ত্রের সূতিকাগার!
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে যে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলা হয়, সেই অক্সফোর্ডের প্রশাসন বা পরিচালনাপদ্ধতির দিকে যদি একটু নজর দিই তাহলে নিজেদের দৈন্যের গ্লানিবোধটা আরও বাড়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের মতো কোনো আইন নেই অক্সফোর্ডের। অক্সফোর্ডের উপাচার্য নির্বাচিত হন না, পরিচালনা পরিষদের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং পরিষদ একটি মনোনয়ন কমিটির মাধ্যমে উপযুক্ত প্রার্থী বাছাইয়ের কাজটি করে থাকে (সূত্র: ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড: অ্যাপয়েন্টমেন্ট অব ভাইস চ্যান্সেলর, প্রকাশক: প্যারেট লেভার, ২০১৫ সালের প্রকাশনা)। তবে আচার্য হন নির্বাচিত এবং সেই নির্বাচন হয় একটি বৃহদাকারের গণতান্ত্রিক চর্চা। অক্সফোর্ডের সব স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীই আচার্য নির্বাচনে ভোটার। তাঁরা এ ছাড়া ২৫ থেকে ২৮ জন পরিষদ (কাউন্সিল) সদস্য নির্বাচিত করেন যে পরিষদটি আমাদের সিন্ডিকেটের সমতুল্য একটি ফোরাম। বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় একাডেমিক এবং কৌশলগত নীতিনির্ধারণের দায়িত্ব এই কাউন্সিলের এবং এই উপাচার্য কাউন্সিলের কাছেই জবাবদিহি করে থাকেন। আচার্য নির্বাচিত হলেও তাঁর ভূমিকা অনেকটাই আলংকারিক। অক্সফোর্ড পরিচালনায় সরকারের ন্যূনতম ভূমিকা নেই।
    বিপরীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে নির্বাহী পরিষদ হচ্ছে সিন্ডিকেট, যাতে নির্বাচিত হয়ে আসেন শিক্ষকদের ছয়জন প্রতিনিধি, সিনেটের দুজন সদস্য এবং সিনেট দ্বারা নির্বাচিত একজন বিশিষ্ট নাগরিক। এর পাশাপাশি উপাচার্য ও সহ-উপাচার্য, আচার্যের (সরকারের) মনোনীত তিনজন, একাডেমিক কাউন্সিলের মনোনীত দুজন কলেজ অধ্যক্ষ এবং সচিব পদমর্যাদার একজন সরকারি কর্মকর্তা। সিন্ডিকেটের এই গঠনপ্রকৃতিতে গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্বের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার তাত্ত্বিক ভিত্তি থাকলেও বাস্তবে তা ঘটে না। কলেজ অধ্যক্ষ শ্রেণিতে একাডেমিক কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে উপাচার্য তাঁর পছন্দের শিক্ষাবিদদের মনোনয়ন দিলে সিন্ডিকেটে মনোনীত সদস্যদের অবস্থান যথেষ্ট সংহত হয়। ফলে উপাচার্যের কোটারি সৃষ্টি ও বজায় রাখা অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। তা ছাড়া সিনেটের গঠনপ্রকৃতিতে বড় ধরনের ঘাটতি থাকায় সিনেট থেকে নির্বাচন বা সিনেটের মনোনয়নও যে প্রশ্নাতীত হয়, তা বলা যাবে না।
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইনে সিনেট গঠনের যে বিধান আছে তাতে উপাচার্য ও সহ-উপাচার্য বা কোষাধ্যক্ষ ছাড়া বিভিন্ন শ্রেণিতে আচার্য (কার্যত সরকার) ও সরকারের মনোনীত সদস্যদের সংখ্যা বিস্ময়করভাবে নির্বাচিত সদস্যসংখ্যার প্রায় সমান। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের প্রতিনিধি যেখানে মাত্র ২৫ জন, নির্বাচিত শিক্ষক প্রতিনিধি ১০ জন এবং ছাত্র প্রতিনিধি ৫ জন, সেখানে সরকারের মনোনয়নে ৫ জন সরকারি কর্মকর্তা, স্পিকারের মনোনয়নে ৫ জন সাংসদ, আচার্যের মনোনয়নে ৫ জন বিশিষ্ট নাগরিক, সিন্ডিকেটের মনোনয়নে গবেষণা সংস্থার প্রতিনিধি ৫ জন, একাডেমিক কাউন্সিলের মনোনয়নে ৫ জন কলেজ অধ্যক্ষ, একাডেমিক কাউন্সিলের মনোনয়নে ১০ জন কলেজ শিক্ষক এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান (সরকারি কর্মকর্তা) সিনেটের সদস্য হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্বের পরিধি এত সীমিত হওয়া সত্ত্বেও সেখানে গণতন্ত্রচর্চার ন্যূনতম সুযোগটুকুও যে বর্তমান উপাচার্য নস্যাৎ করে দিয়েছেন, তাতে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই। সিনেটকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার চেষ্টা না করাতেই একধরনের উদ্দেশ্য হাসিলের ইঙ্গিত মেলে। প্রায় অর্ধেক সদস্যের পদ শূন্য রেখে কোনো সিনেট আইনগত বৈধতা দাবি করতে পারে না।
    প্রশ্ন হচ্ছে, উপাচার্য পদ পাওয়া বা ধরে রাখা এতটা গুরুত্বপূর্ণ কেন? উত্তরটা অবশ্যই রাজনৈতিক। সরকারে ক্ষমতাসীন দলের প্রতি আনুগত্য এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ২০০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি থেকে একটানা এই পদে রয়েছেন। তিনি প্রথমে সাময়িক নিয়োগ পেয়েও সিনেট ডেকে নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রায় সাড়ে চার বছর অপেক্ষা করেছেন। প্রথম দফায় সিনেটে তিনি নির্বাচিত হন ২০১৩ সালের ২৪ আগস্ট। এখন সেই মেয়াদটি শেষ হওয়ার আগেই তিনি সম্ভবত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সাড়ে আট বছর তাঁর জন্য যথেষ্ট নয়। সুতরাং আরও একবার তাঁকে এই পদে থাকতেই হবে। তাঁর যেসব সহকর্মী এখন তাঁর সঙ্গ ত্যাগ করেছেন, তাঁদের ভাষ্য সে রকমই। একটানা ক্ষমতা ধরে রাখতে না পারলে স্বপ্ন বাস্তবায়নের মতো উন্নয়ন সম্ভব নয়, এই রাজনৈতিক দর্শনেই তিনি আস্থা রেখেছেন।
    তাঁর অনুসারীরা বলে থাকেন যে তাঁর সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক শৃঙ্খলা এসেছে, পরীক্ষা সময়মতো হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে কখনো ক্লাস বন্ধ করতে হয়নি। এগুলো নিশ্চয়ই ভালো অর্জন। কিন্তু বিপরীত দিকটা দেখুন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয় না, কেননা তিনি রাজনৈতিক হাঙ্গামার আশঙ্কা করেন। সামরিক শাসনামলেও যা সম্ভব হয়েছে এখন নাকি তা সম্ভব না? আমরা কি বিশ্ববিদ্যালয়ে কবরের শান্তি প্রত্যাশা করি? বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিন্নমত প্রায় নিষিদ্ধ। ছাত্রলীগের একাধিপত্য। বিএনপি-সমর্থক ছাত্রদলের কথা না হয় বাদই দিলাম। বামপন্থী ছোট ছোট ছাত্রসংগঠনকেও মারধর করার ঘটনা ঘটেছে একাধিকবার এবং তিনি তার কোনো প্রতিকার করেননি। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মাত্র কদিন আগেই সাতটি নব-অধিভুক্ত কলেজের ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ করতে গেলে পুলিশের নিষ্ঠুরতার মুখেও তিনি নিশ্চুপ। দেদার নতুন নতুন বিভাগ খুলেছেন, দল এবং নিজের প্রতি আনুগত্য বিবেচনায় উদার মনে অসংখ্য শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন। নির্মাণকাজে ঘুরেফিরে কয়েকটি পরিচিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ রাজনৈতিক মিত্রদের পৃষ্ঠপোষকতারই প্রমাণ দেয়। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট হচ্ছে ৬৬৪ কোটি টাকার। দলের ভেতরের প্রতিদ্বন্দ্বীদের ওপর আস্থাহীনতাই কি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার এই অযাচিত বিকৃতিসাধনের কারণ?
    এত হতাশার বাস্তবতায় ক্ষীণ আশা জ্বালিয়ে রেখেছেন ওই সব প্রতিবাদী শিক্ষার্থী, যাঁরা শনিবার গণতন্ত্রের দাবি জানাতে গিয়ে প্রহৃত ও লাঞ্ছিত হয়েছেন। তাঁরা যে এবারই প্রথম লাঞ্ছিত হলেন তা নয়। এর আগে গত মে মাসেও তাঁরা ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে উপাচার্যের কার্যালয়ে ধরনা দিতে গিয়ে লাঞ্ছিত হয়েছিলেন। অভিযোগ আছে, তখনো যেসব শিক্ষক প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হয়েছিলেন, এবারও ওই কাজটি তাঁরাই করেছেন। বোঝাই যায়, উপাচার্য ওই হাতে গোনা কোটারিভুক্ত শিক্ষকদের শৃঙ্খলায় আনতে মোটেও আগ্রহী নন। এবারও এই শিক্ষার্থী লাঞ্ছনার কোনো প্রতিকার আমরা আশা করি না। তবে গণতন্ত্রের দাবিতে ক্যাম্পাসে প্রতিবাদের আওয়াজটা বহাল থাকা দরকার, তা সে যত ক্ষীণস্বরেই হোক না কেন।

    Fashion

    Beauty

    Travel