ইনস্টাগ্রামে মেওয়েদারের সঙ্গে নিজের ছবি তুলে সবাইকে দেখাচ্ছেন নেইমার।রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ৩-২ গোলের জয়। সে জয়ের কেকে বরফকুচি হিসেবে আইসিসির শিরোপাও উঠল বার্সেলোনার হাতে। সে আনন্দ কীভাবে উদ্যাপন করলেন নেইমার? সমর্থকদের ৩৬০ মিলিয়ন ডলার দেখার সুযোগ সৃষ্টি করে! বাংলাদেশি মূল্যমানে যেটা প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা!
একটু খুলেই বলা যাক। আজ মায়ামিতে এল ক্লাসিকোর পর ইনস্টাগ্রামে নতুন একটা ছবি দিয়েছেন নেইমার। বার্সেলোনা তারকার সঙ্গে দেখা করেছেন ফ্লয়েড মেওয়েদার। অবসর ভেঙে ফেরা এই বক্সারের সঙ্গে ছবি তুলে নেইমার ক্যাপশন করেছেন ‘চ্যাম্পিয়ন’। পেশাদার ক্যারিয়ারে যিনি ৪৯টি ফাইটের প্রতিটিই জিতেছেন, তাঁর সঙ্গে উপাধিটা বেশ মানায়।
মেওয়েদারের সামনে অবশ্য বড় পরীক্ষা। তাঁর অপরাজেয় কীর্তিতে দাগ ফেলতে চাইছেন ইউএফসি (আল্টিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ) তারকা কনর ম্যাকগ্রেগর। ২৬ আগস্টে লাস ভেগাসে দুই ভুবনের দুজন নামবেন সুপার-ফাইটে। সে ফাইটের জন্য আনুমানিক প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার পাচ্ছেন মেওয়েদার।
তবে ফুটবলের দলবদলের বাজারে যে ইঙ্গিত, নেইমার এর আগেই মেওয়াদারকে টপকে যাবেন। প্যারিস সেন্ট জার্মেই যে পণ করেছে, রিলিজ ক্লজ ২২২ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ২৬০ মিলিয়ন ডলার) দিয়ে হলেও ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে দলে টানবে তারা। সে হিসেবে নেইমার যে এখন মেওয়েদারের চেয়েও দামি এক নাম।
দুই বছর আগে হলে অবশ্য উল্টোটা হতো। ম্যানি প্যাকিয়াওকে হারিয়ে নিজের সর্বশেষ ফাইটে আনুমানিক ২২০ মিলিয়ন ডলার পেয়েছিলেন মেওয়েদার! নেইমার তবু দুষ্টুমি করে বলতে পারেন, ‘তোমার চেয়ে আমার দাম কিন্তু ৪০ মিলিয়ন ডলার বেশি।’
সেবার ফাইট জিতে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকার সামনে বসে ছবি তোলা মেওয়েদার পাল্টা খোঁচাও দিতে পারেন, ‘তা তোমার দাম যতই তুলুক না কেন পিএসজি, সে টাকা তো আর আমার মতো তোমার ব্যাংক হিসাবে যাচ্ছে না!’
তা সত্যি। দলবদলের টাকায় ফুটবলারের ভাগ নেই। তবে সে যা-ই হোক না কেন, এই মুহূর্তে নেইমারের সম্ভাব্য দাম ২৬০ মিলিয়ন ডলার। মেওয়েদারের সঙ্গে একফ্রেমে ছবি তুলে ভক্তদের তাই আলোচনার সুযোগ করে দিলেন, এটাই কি ভিন্ন দুই ক্রীড়াঙ্গনের দুই ক্রীড়াতারকাদের তোলা সবচেয়ে দামি ছবি?
মেওয়েদারের সামনে অবশ্য বড় পরীক্ষা। তাঁর অপরাজেয় কীর্তিতে দাগ ফেলতে চাইছেন ইউএফসি (আল্টিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ) তারকা কনর ম্যাকগ্রেগর। ২৬ আগস্টে লাস ভেগাসে দুই ভুবনের দুজন নামবেন সুপার-ফাইটে। সে ফাইটের জন্য আনুমানিক প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার পাচ্ছেন মেওয়েদার।
তবে ফুটবলের দলবদলের বাজারে যে ইঙ্গিত, নেইমার এর আগেই মেওয়াদারকে টপকে যাবেন। প্যারিস সেন্ট জার্মেই যে পণ করেছে, রিলিজ ক্লজ ২২২ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ২৬০ মিলিয়ন ডলার) দিয়ে হলেও ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে দলে টানবে তারা। সে হিসেবে নেইমার যে এখন মেওয়েদারের চেয়েও দামি এক নাম।
দুই বছর আগে হলে অবশ্য উল্টোটা হতো। ম্যানি প্যাকিয়াওকে হারিয়ে নিজের সর্বশেষ ফাইটে আনুমানিক ২২০ মিলিয়ন ডলার পেয়েছিলেন মেওয়েদার! নেইমার তবু দুষ্টুমি করে বলতে পারেন, ‘তোমার চেয়ে আমার দাম কিন্তু ৪০ মিলিয়ন ডলার বেশি।’
সেবার ফাইট জিতে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকার সামনে বসে ছবি তোলা মেওয়েদার পাল্টা খোঁচাও দিতে পারেন, ‘তা তোমার দাম যতই তুলুক না কেন পিএসজি, সে টাকা তো আর আমার মতো তোমার ব্যাংক হিসাবে যাচ্ছে না!’
তা সত্যি। দলবদলের টাকায় ফুটবলারের ভাগ নেই। তবে সে যা-ই হোক না কেন, এই মুহূর্তে নেইমারের সম্ভাব্য দাম ২৬০ মিলিয়ন ডলার। মেওয়েদারের সঙ্গে একফ্রেমে ছবি তুলে ভক্তদের তাই আলোচনার সুযোগ করে দিলেন, এটাই কি ভিন্ন দুই ক্রীড়াঙ্গনের দুই ক্রীড়াতারকাদের তোলা সবচেয়ে দামি ছবি?
