জান্নাতুল মদিনা এবার নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের সানফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এসএসসিতেও একই ফল ছিল। পরিবারের টানাপোড়েনের মধ্যেও মেধাবী এই শিক্ষার্থী পড়াশোনা ছাড়েননি। শহরের ইসলামবাগ মহল্লায় রেলওয়ের একখণ্ড জমিতে ছাপরা ঘরে তাঁদের বসবাস। বাবা মিজানুর রহমান রেলওয়ের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে নৈশপ্রহরীর কাজ করেন। তবে প্রতিষ্ঠানটি এ মাসেই বন্ধ হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে মিজানুরের চাকরিও শেষ হবে। মা নাজমুন নাহার বাসায় কাপড় সেলাইয়ের কাজ করেন। ছোট ভাই পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে।
আজ রোববার মিজানুর মেয়েকে নিয়ে সৈয়দপুর প্রেসক্লাবে আসেন। শোনান নিজের অসহায়ত্বের কথা। পরে প্রথম আলোর সঙ্গে তাঁর কথা হয়। তিনি বলেন, ‘এত দিন মানুষের সাহায্য নিয়ে পড়ায়েছি। খাই না খাই পড়া চালিয়ে গিয়েছি। কিন্তু এখন বাইরে পড়ানোর সামর্থ্য নাই। টাকাপয়সা না থাকলেও কেমন করে চালাব।’ তবে মেয়ের পড়াশোনা থেমে যাবে কি না, জিজ্ঞেস করলে তিনি ভাগ্যের কথা বলেন।
জান্নাতুলের কলেজ তাঁকে বিনা পয়সাতেই পড়িয়েছে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘পরিচিতরা স্কুলে ফ্রি পড়ানোর ব্যবস্থা করেছেন। টিচাররা আমাকে অনেক হেল্প করেছে। প্রাইভেট পড়াতেও টাকা নেননি।’ তিনি বলেন, পড়াশোনায় মা-বাবার ভীষণ উৎসাহ। তাঁর নিজের ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা। বাসাতেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সংসারে অভাব থাকলেও মা-বাবা চিন্তা করতে দেননি। কিন্তু একদিন পরেই বাবা বেকার হয়ে যাবেন। সামনে পড়ার খরচও অনেক। চিন্তা তো এসেই যায়।
জান্নাতুল একসময় প্রাইভেট পড়াতেন। পড়ার চাপ বাড়ায় তা ছেড়ে দিয়েছেন। অবসর সময় নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি অবসর পাই না। পড়ার ফাঁকে যে সময় পাই, মাকে সাহায্য করি। আমি কাপড় কাটি, মা সেলাই করেন।’
আজ রোববার মিজানুর মেয়েকে নিয়ে সৈয়দপুর প্রেসক্লাবে আসেন। শোনান নিজের অসহায়ত্বের কথা। পরে প্রথম আলোর সঙ্গে তাঁর কথা হয়। তিনি বলেন, ‘এত দিন মানুষের সাহায্য নিয়ে পড়ায়েছি। খাই না খাই পড়া চালিয়ে গিয়েছি। কিন্তু এখন বাইরে পড়ানোর সামর্থ্য নাই। টাকাপয়সা না থাকলেও কেমন করে চালাব।’ তবে মেয়ের পড়াশোনা থেমে যাবে কি না, জিজ্ঞেস করলে তিনি ভাগ্যের কথা বলেন।
জান্নাতুলের কলেজ তাঁকে বিনা পয়সাতেই পড়িয়েছে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘পরিচিতরা স্কুলে ফ্রি পড়ানোর ব্যবস্থা করেছেন। টিচাররা আমাকে অনেক হেল্প করেছে। প্রাইভেট পড়াতেও টাকা নেননি।’ তিনি বলেন, পড়াশোনায় মা-বাবার ভীষণ উৎসাহ। তাঁর নিজের ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা। বাসাতেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সংসারে অভাব থাকলেও মা-বাবা চিন্তা করতে দেননি। কিন্তু একদিন পরেই বাবা বেকার হয়ে যাবেন। সামনে পড়ার খরচও অনেক। চিন্তা তো এসেই যায়।
জান্নাতুল একসময় প্রাইভেট পড়াতেন। পড়ার চাপ বাড়ায় তা ছেড়ে দিয়েছেন। অবসর সময় নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি অবসর পাই না। পড়ার ফাঁকে যে সময় পাই, মাকে সাহায্য করি। আমি কাপড় কাটি, মা সেলাই করেন।’
সানফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘মেয়েটি অনেক মেধাবী। এত দিন তাঁর পাশে আমরাই ছিলাম। কিন্তু উচ্চশিক্ষায় অনেক খরচ।’ তিনি বলেন, যদি কোনো বিত্তবান ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাঁর পাশে দাঁড়ায়, তাহলে হয়তো জান্নাতুল পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবেন।
