পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হকের সভাপতিত্বে এপ্রিল-মে-জুন—এই তিন মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা। ছবি: ডিএমপি নিউজমাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে তহবিল গঠনের জন্য সব পুলিশ সদস্য তাঁদের এক দিনের বেতন দেবেন। আজ রোববার পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হকের সভাপতিত্বে এপ্রিল-মে-জুন—এই তিন মাসের অপরাধ পর্যালোচনা করা হয়। দিনব্যাপী ওই সভায় সব পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ উপমহাপরিদর্শক, পুলিশ সুপার, ঢাকায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান এবং পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ মহাপরিদর্শক সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে মাদকবিরোধী আন্দোলনকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার জন্য মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
এদিকে বৈঠকে উপস্থিত দায়িত্বশীল একাদিক সূত্র বলেছেন, মাঠপর্যায়ে কাজের ক্ষেত্রে পুলিশকে সর্বোচ্চ সহনশীলতা দেখাতে বলা হয়েছে। জনবান্ধব পুলিশি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ব্যাপারেও উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় ওই বৈঠকে। তা ছাড়া পুলিশের মহাপরিদর্শক জেলা পর্যায়ের সব সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় ও সুসম্পর্ক বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।
সভায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের উপমহাপরিদর্শক (প্রশাসন) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন গত তিন মাসের অপরাধ পরিস্থিতি তুলে ধরেন। পর্যালোচনায় দেখা যায়, ওই সময়ে সারা দেশে ৫৪ হাজার ৭৩১টি মামলা রুজু হয়েছে। এই সংখ্যা গত জানুয়ারি থেকে মার্চের তুলনায় প্রায় ৯.৭৩ ভাগ বেশি। বৈঠকে বলা হয়, পুলিশি অভিযান ও তৎপরতায় মাদকদ্রব্য, চোরাচালান ও অস্ত্র উদ্ধারের পরিমাণ বাড়ায় মামলার সংখ্যা বেড়েছে।
সভায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের উপমহাপরিদর্শক (প্রশাসন) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন গত তিন মাসের অপরাধ পরিস্থিতি তুলে ধরেন। পর্যালোচনায় দেখা যায়, ওই সময়ে সারা দেশে ৫৪ হাজার ৭৩১টি মামলা রুজু হয়েছে। এই সংখ্যা গত জানুয়ারি থেকে মার্চের তুলনায় প্রায় ৯.৭৩ ভাগ বেশি। বৈঠকে বলা হয়, পুলিশি অভিযান ও তৎপরতায় মাদকদ্রব্য, চোরাচালান ও অস্ত্র উদ্ধারের পরিমাণ বাড়ায় মামলার সংখ্যা বেড়েছে।
