• Breaking News

    all-news6361.com

    all-news6361.com

    কম্বোডিয়ার সঙ্গে চুক্তি, আসছে ১০ লাখ টন চাল


    ৫ বছরে ১০ লাখ টন চাল আমদানির জন্য কম্বোডিয়ার সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। ওই চুক্তির আওতায় এ বছর আড়াই লাখ টন চাল আমদানি করা হবে। আজ বুধবার দেশটির রাজধানী নমপেনে বাংলাদেশের খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও কম্বোডিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী প্যান সোরাকাসের মধ্যে এ ব্যাপারে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
    ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সময়ে ওই ১০ লাখ টন চাল বাংলাদেশ আমদানি করবে বলে দুই দেশের সমঝোতা স্মারকে বলা হয়েছে। তবে চালের টনপ্রতি দাম কত পড়বে এবং তা কবে আসবে, তা এখনো ঠিক হয়নি।
    চলতি মাসের মাঝামাঝি কম্বোডিয়ার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধিদল চালের দাম ও আমদানির সময়কাল ঠিক করতে বাংলাদেশ সফরে আসবে। সরকারি পর্যায়ে আমদানি হওয়া পণ্যের দাম নির্ধারণবিষয়ক সরকারি ক্রয় কমিটির সঙ্গে আলোচনা করবেন তাঁরা।
    এ ব্যাপারে কম্বোডিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বদরুল হাসানের সঙ্গে মোবাইলে কথা হয়। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘কম্বোডিয়া থেকে চাল আমদানি অনেক বেশি সুবিধাজনক হবে। এই দেশের চালের বাজার আমাদের ধারণা কিছুটা কম ছিল। আমরা আশা করছি দেশটির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি আমদানি-রপ্তানি সম্পর্ক গড়ে তুললে আমরা লাভবান হব।’
    বার্তা সংস্থা রয়টার্স সূত্রে জানা গেছে, কম্বোডিয়ার সঙ্গে চুক্তি হওয়া চালের মধ্যে ২ লাখ টন আতপ ও ৫০ হাজার টন আধা সেদ্ধ।
    রয়টার্সের সংবাদে বলা হয়, বাংলাদেশ বিশ্বের চতুর্থ চাল উৎপাদনকারী দেশ হয়েও বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম চাল আমদানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে। মূলত চলতি বছরের বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাংলাদেশকে চাল আমদানি করতে হয়েছে।
    খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম রয়টার্সকে বলেন, মূলত বন্যার কারণে বাংলাদেশে ধানের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সমঝোতা চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ প্রয়োজন অনুযায়ী চাল কম্বোডিয়া থেকে আনবে।
    এর আগে বাংলাদেশ ভিয়েতনামের সঙ্গে ১০ লাখ টন চাল আমদানির চুক্তি করেছিল। ওই চালের আমদানি শুরু হয়েছে। থাইল্যান্ড ও ভারতের সঙ্গে চাল আমদানি নিয়ে আলোচনা হলেও এখনো চাল আমদানির চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি।

    Fashion

    Beauty

    Travel