সুফিয়া বলেন, কিশোরের নাম সাগর (১৪)। ‘গত শবে বরাতের দিন সন্ধ্যায় ছেলেটিকে খাষকাউলিয়ার আজিমুদ্দিন মোড় এলাকায় মাটিতে গড়াগড়ি করতে দেখে আমার মায়া হয়। ওকে বাড়ি নিয়ে গোসল করিয়ে খাবার দিয়ে রাতে ঘুমাতে দিই। এখন আমার সঙ্গেই থাকে।’
সাগরের গায়ের রং শ্যাম বর্ণ, উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট। পরিচয় ও বাড়ির ঠিকানা জিজ্ঞেস করলে প্রথম আলোকে ভাঙা ভাঙা কণ্ঠে ঠিকানা বলে কাঁদতে থাকে সে। বলে বাবার নাম রতন খান, বাড়ি গুলিস্তান, বাবা রাজমিস্ত্রি কাজ করেন। এতটুকু সে বলতে পারে। বাড়ি যাওয়ার কথা বলতেই মা-বাবার কাছে ফিরে যাওয়ার করুণ আকুতি যেন তার চোখে মুখে ফুটে ওঠে। তবে বেশি কিছু বলতে পারে না।
সুফিয়া বলেন, গুলিস্তানে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু পরিবারের কাউকে পাননি। পরে চৌহালী থানা-পুলিশ ও গ্রামের মাতব্বরদের কাছে বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি দিনমজুরি করে খাই। ছেলেটি নিয়ে খুব কষ্টে আছি। সব সময় চোখে চোখে রাখতে হয়, ছেড়ে দিলে হারিয়ে যাবে। এ জন্যই শিকল দিয়ে রাখি।’
পরিবারের খোঁজ পেলে তিনি সাগরকে ফিরিয়ে দেবেন। তাই তিনি কিশোরের পরিবারের খোঁজ পেলে উপযুক্ত পরিচয় দিয়ে নিয়ে যাওয়ার আকুতি জানান।
যোগাযোগের ঠিকানা, সুফিয়া খাতুন, উপজেলা সদর, চৌহালী ০১৭৯০-১৯৫৯৬০ অথবা মোল্লা বাবুল আক্তার, চৌহালী মুঠোফোন নম্বর ০১৭১২-৮০৮৫৩০
।
।
